‘দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস এক, সমস্যা এক এবং সুযোগও এক। তাই আমাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা উচিত। গবেষণালব্ধ জ্ঞানের যে আদান প্রদান তার মাধ্যমে সকলেই উপকৃত হব। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।’

সোমবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘জ্ঞান ব্যবস্থাপনা ও কার্যকর গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তি’ বিষয়ে দক্ষিণ এশীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ এসব বলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং অক্সফাম বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন এএসএম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক খালিদ হোসেন, অধ্যাপক এজেএম মনজুরুল হোসেন, মামুনুর রশীদ প্রমুখ।

অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ বলেন, গবেষণায় এক জায়গায় বলা হয়েছে নারীরা দুর্যোগে পুরুষের মত নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে না। কিন্তু আসল কথা হল দুর্যোগ মোকাবেলায় নারীরাই এগিয়ে। দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসও বলে যে নারীরা দুর্যোগকে ভয় পায়নি। তবে এখন সময় এসেছে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় আরো কার্যকর পদক্ষেপ কীভাবে নেয়া যায় তা বের করা।

অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, গবেষণার উদ্দেশ্যই হচ্ছে তার মাধ্যমে যে আউটকামগুলো আসবে সেগুলোকে কেন্দ্র করে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা। দুর্যোগ এদেশের বড় সমস্যা। এই খাতে আরো গবেষণা দরকার যাতে নতুন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সমস্যা সমাধান করা যায় তা বেরিয়ে আসে।

তিনি বলেন, জলবায়ু সহনশীল টেকসই সমাজ গঠনে প্রযুক্তির প্রবেশাধিকার বাড়াতে হবে। এসডিজি অর্জনে এই লক্ষ্যগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এসডিজি অর্জনের জন্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আরও বন্ধন তৈরি করতে হবে। নিজেদের মধ্যে জ্ঞানের যে আদান-প্রদান তার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যতের পরিবেশের হুমকিগুলোকে মোকাবেলা করতে হবে।

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here