প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে দেড় লাখ মেট্রিক টন চাল (নন-বাসমতি) আমদানি করা হবে।

প্রতি টনের মূল্য হচ্ছে ৪৪০ মার্কিন ডলার। এই চাল আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হবে প্রায় ৫৪৮ কোটি টাকা।

বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে চাল আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়।

সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ভারত থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে চাল আমদানির প্রস্তাব ক্রয় কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।

জানা গেছে, ভারতের সরকারি প্রতিষ্ঠান নাফিড লিমিটেড এবং বাংলাদেশের জিটুজি পদ্ধতিতে (সরকারিভাবে) ক্রয়বিষয়ক কমিটির মধ্যে চাল নিয়ে সমঝোতার ভিত্তিতে প্রতি টন চালের দাম ৪৪০ ডলার নির্ধারণ করা হয়।

সমঝোতা অনুযায়ী, ঋণপত্র খোলার ৬০ দিনের মধ্যে সব চাল সরবরাহ করবে ভারত। ঋণপত্র পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে পাঠাবে ১৫ হাজার টন চালের প্রথম চালান।

চুক্তি অনুযায়ী, ভারতকে ২০১৭ সালে উৎপাদিত চাল সরবরাহ করতে হবে।

উল্লেখ্য, চালের সরকারি মজুদ তলানিতে নেমে যাওয়া চলতি অর্থবছরে ১৫ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং পাঁচ লাখ টন গম আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান ছাড়াও কয়েকটি দেশ থেকে সরকারিভাবে ধাপে ধাপে এই আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিচ্ছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ভারত থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন (নন-বাসমতি) সিদ্ধ চাল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here